ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৩ ৩:৪৬ অপরাহ্ণ || শতাব্দীর দৃষ্টিকোণ
চারপাশ শিরোনাম

করোনামুক্তি কামনায় এবারের বৈসাবি পালন

পার্বত্য চট্টগ্রামের বসবাসরত ১৩টি ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব বৈসুক, সাংগ্রাই, বিজু, বিহু, বিষু (বৈসাবি)। করোনার কারণে এ বছর উৎসবের আয়োজন না থাকলেও উদযাপন হচ্ছে ঘরোয়াভাবে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, ম্রো, বমসহ ১৩টি ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর বসবাস। এদের প্রধান সামাজিক উৎসব বৈসুক, সাংগ্রাই, বিজু, বিহু, বিষু বা বৈসাবি। বাংলা বছরের শেষ দিনে এ উৎসব পালন করেন পাহাড়িরা। তার আগের দিন ফুল বিজু। এদিন সকালে পানিতে ফুল ভাসিয়ে বিগত বছরের দুঃখ, কষ্ট, গ্লানি মুছে ফেলে নতুন বছরের সুখ-শান্তি সম্মৃদ্ধির প্রার্থনা করেন তারা।

সোমবার (১২ এপ্রিল) সকালে রাঙামাটি শহরের ভালেদি আদাম এলাকায় কাপ্তাই হ্রদের পানিতে ফুল ভাসানো হয়। হিলর প্রোডাকশন শিল্পীরা মিলে ফুল ভাসানোর অনুষ্ঠান করে। পানিতে ফুল দিয়ে বিগত বছরের গ্লানি মুছে নতুন বছরের সুখ-শান্তি প্রত্যাশার পাশাপাশি দেশ যেন করোনামুক্ত হয় সে প্রার্থনাও করেন তারা।

আয়োজক ও স্থানীয়তা জানান, যুগ যুগ ধরে পাহাড়িরা ঐতিহ্যগতভাবে এ উৎসব পালন করে আসছে। প্রতি বছর এ উৎসবকে কেন্দ্র করে পুরো পার্বত্য চট্টগ্রামজুড়ে ১৫ দিনব্যাপী নানান উৎসবের আয়োজন করে পাহাড়িরা। এ বছর করোনার প্রভাবে তা করা না হলেও ঘরোয়াভাবে বিজুর আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হচ্ছে।

করোনার কারণে আয়োজন না থাকলেও উদযাপন হচ্ছে ঘরোয়াভাবে

মঙ্গলবার মুল বিজু। এ দিনে পাহাড়িদের ঘরে ঘরে পাজন রান্না হবে। তৈরি করা হবে নানান পিঠা পায়েসসহ হরেক রকম খাবার। এদিন পাহাড়িরা প্রতিবেশীদের নিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করবে।

হিলর প্রোডাকশন শিল্পীরা জানান, করোনা আতঙ্কে গত বছর বিজুর আনুষ্ঠানিকতা পালন করেননি পাহাড়িরা। এ বছর স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘরোয়া ও এলাকা ভিত্তিক বিজু পালন করছেন পাহাড়িরা।

Similar Posts

error: Content is protected !!