মে ৩১, ২০২৩ ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ || শতাব্দীর দৃষ্টিকোণ
চারপাশ শিরোনাম

ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাসে যেসব সতর্কবার্তা

গত বছর আঘাত হানা সুপার সাইক্লোন আম্ফানের ক্ষয়-ক্ষতি এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি উপকূলবাসী। সেই আম্ফানের মোটামুটি এক বছরের মাথায় বাংলাদেশের দিকে এবার ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’। ফলে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে।

রোববার নিম্নচাপ আরও শক্তিসঞ্চয় করে সোমবার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে। বুধবার সন্ধ্যায় উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশের খুলনা উপকূলে পৌঁছাতে পারে।

নিম্নচাপ ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্কবার্তা দিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে ২৩ মে’র মধ্যে উপকূলে ফিরে আসতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ-ভারতের দিকে ধেয়ে আসা এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘যশ’। এর নামকরণ করেছে ওমান বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের পুরো উপকূলকে সতর্ক থাকতে হবে।

এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আম্পান যে পথে স্থলভাগে প্রবেশ করেছিল, প্রায় একই পথে (সাতক্ষীরা, খুলনা ও পশ্চিমবঙ্গের উপকূল) দিয়ে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি প্রবেশ করতে পারে। ২৬ মে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি যদি বাংলাদেশ ও ভারতের উপকূলে আঘাত হানে, তবে উপকূলীয় এলাকার বেড়িবাঁধগুলো স্বাভাবিকের চেয়ে ৫ থেকে ১০ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাসের সম্মুখীন হবে। বেড়িবাঁধের অপেক্ষাকৃত দুর্বল স্থানগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

Similar Posts

error: Content is protected !!