ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৩ ১:২৬ অপরাহ্ণ || শতাব্দীর দৃষ্টিকোণ
অর্থনীতি শিরোনাম

নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছেই

বেড়েই চলছে সকল ধরণের নিত্যপণ্যের দাম। গত সপ্তাহের তুলনায় চলতি সপ্তাহে প্রায় প্রতিটি পণ্যের দামই বাড়তির দিকে। কিছুটা কমার পর রাজধানীর বাজারগুলোতে আবারও বেড়েছে আলু ও পেঁয়াজের দাম।

সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে আলু ও পেঁয়াজের দাম। কুয়াশার কারণে বাজারে আলু ও পেঁয়াজের সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

গত সপ্তাহে ঢাকার বাজারে নতুন আলুর প্রতি কেজির দাম ছিল ৪০-৫০ টাকা। পুরোনো আলু বিক্রি হতো ৩২-৩৫ টাকা কেজিতে।

শুক্রবার ঢাকার শান্তিনগর, নিউমার্কেট ও কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায়, নতুন আলু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬০ টাকায়। এই আলুর দাম পাইকারি বাজারে ৪৭-৫০ টাকা। আর পুরোনো আলু পাইকারিতে ৪০-৪২ টাকা কেজি, খুচরায় তা ৪৫-৪৭ টাকা।

শুধু আলু-পেঁয়াজ নয়, কারণ ছাড়াই বেড়েছে চাল ও ভোজ্যতেলের দাম। পাশাপাশি গত সপ্তাহের তুলনায় ডিমও বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুক্রবার প্রতি কেজি মিনিকেট ও নাজিরশাল চাল বিক্রি হচ্ছে ৬২-৬৮ টাকা। যা ৭ দিন আগে ছিল ৫৭-৬২ টাকা। বিআর-২৮ চাল বিক্রি হয়েছে ৫৫-৫৬ টাকা। যা ১ সপ্তাহ আগে ছিল ৫০-৫২ টাকা। মোটা চালের মধ্যে স্বর্ণা প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৫০-৫২ টাকা। যা ৭ দিন আগে ছিল ৪৮-৫০ টাকা।

রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল কোম্পানিভেদে বিক্রি হচ্ছে ১১৫-১২৫ টাকা। যা ৭ দিন আগে ছিল ১১০-১১৫ টাকা। এছাড়া পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ৫৬০ টাকা। যা ১ সপ্তাহ আগে ছিল ৫৪০ টাকা।

সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের মতো শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। ফুলকপি ও বাঁধাকপির পিস বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। মুলা ১০ থেকে ১৫ টাকা কেজি পাওয়া যাচ্ছে। ৪০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে বড় লাউ। গাজর বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি। বেগুনের কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, উস্তের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ধেড়স ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পটল ৩০ থেকে ৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

Similar Posts

error: Content is protected !!