ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৩ ১২:৪৭ অপরাহ্ণ || শতাব্দীর দৃষ্টিকোণ
লাইফস্টাইল শিরোনাম

যৌবন ধরে রাখবে যেসব খাবার

স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং খাদ্যাভ্যাস আপনার বয়সের ছাপ ভেতর থেকে প্রতিরোধ করতে পারে। মনের বয়স না হয় নাই বাড়ালো, কিন্তু শরীরের বয়স তো প্রকৃতির নিয়মেই বাড়াবে। বয়স তো আর আটকানোর উপায় নেই। তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে যৌবনকে আরো দীর্ঘায়িত করার উপায় কিন্তু পুষ্টিবিদরা বাতলে দিয়েছেন। এর জন্য আপনার পাতে রাখতে হবে কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার।

দুধ: ৪০ পেরিয়ে গেলেও ডায়েটে রাখুন দুধ। এতে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ প্রোটিন আর ক্যালসিয়াম, যা শরীরের পেশিতে শক্তি বাড়ায় ও হাড়ের ক্ষয় থেকে রক্ষা করে। শরীরকে হাইড্রেট করার জন্য দুধে রয়েছে ইলেক্ট্রলাইটস। প্রতিদিন শরীরকে ফিট রাখতে ব্রেকফাস্টে রাখুন এক গ্লাস দুধ।

কলা: কলাতে রয়েছে শক্তি বাড়ানোর মূলমন্ত্র। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, পটাসিয়াম ও আয়রন। স্বাস্থ্যকর ডায়েট মেনে চললে তাতে থাকা উচিত উপকারী খনিজ সমৃদ্ধ খাবার। এমনকি কোথায় গেলে কিংবা অফিসে কাজ করার ফাঁকেও খেতে পারেন কলা। ব্রেকফাস্ট ও লাঞ্চের মাঝে খিদে পেলে খেতে পারেন কলা।

টমেটো : টমেটোতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান লাইকোপেন যা বিভিন্ন চর্মরোগ প্রতিরোধ করতে খুবই কার্যকর। এটি ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

বাদাম: চেহারায় তারুণ্য ধরে রাখতে বাদামের জুড়ি নেই। বাদাম বা বিশেষ করে আখরোটে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড আছে যা ত্বককে মসৃণ করে ভিতর থেকে উজ্জ্বল করে তোলে। আখরোটে কোলেস্টেরলের মাত্রা খুব কম থাকে। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় আপনি রাখতে পারেন যে কোনও বাদাম।

ওটস: পুষ্টিবিদদের মতে, বয়স ৪০ পেরনোর পর ব্রেকফাস্টে ওটস রাখা খুবই ভালো। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। প্রতিদিন ডায়েটের জন্য এই ওটস অত্যন্ত উপকারীও। ওটস শরীরের শক্তি জোগাতেও সাহায্য করে। প্রতিদিন ৩০ গ্রাম করে ওটস খেলে সকালে বেশ চনমনে থাকবেন আপনি। এতে থাকা ফাইবার হজম শক্তি বাড়ায়। বয়স বাড়লেও ফাইবার শরীরের যৌবন বজায় রাখতে সাহায্য করে।

ডার্ক চকোলেট: মিষ্টি দাঁতের জন্য ক্ষতিকর হলেও ডার্ক চকোলেট যেমন খেতে ভালো তেমনি এতে রয়েছে বেশ কয়েকটি উপকারী খনিজ পুষ্টিগুণ। দিনের একটি সময়ে মন ভাল রাখতে ও এনার্জি বুস্টার হিসেবে ডার্ক চকোলেট খেতে পারেন। এতে রয়েছে ক্যাফেইন আর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, সুস্থ থাকতে এগুলোর ভূমিকা অপরিহার্য।

লাল আলু: বিকেলের নাস্তায় কিংবা লাঞ্চের সময় খেতে পারেন লাল আলু। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে কার্বস। যা প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় শক্তির জোগান দেয়। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, যা ইমিউনিটি ব্যবস্থাকে পূর্ণমাত্রায় পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে। এছাড়া মুখের সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর কার্যকরী ক্ষমতা বাড়ায়। লাল আলু চোখ ভালো রাখতেও সাহায্য করে।

Similar Posts

error: Content is protected !!